WEBTVBD আর্টিকেল
সর্বশেষ আপডেট: ২ আগস্ট, ২০২৬3 মিনিট পড়াWEBTVBD সম্পাদকীয় ডেস্ক
বাংলাদেশ টেলিভিশনের ১৯৬৪ সালের সূচনা, রামপুরায় স্থানান্তর, রঙিন সম্প্রচার এবং ডিজিটাল যুগে রূপান্তরের যাচাইযোগ্য ইতিহাস পড়ুন।
আমাদের সম্পাদনা নীতিমালা পড়ুনসংশোধনের অনুরোধ করুন

বাংলাদেশে টেলিভিশনের ইতিহাস বোঝার জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন—বিটিভি—দিয়ে শুরু করাই স্বাভাবিক। এটি শুধু একটি চ্যানেলের গল্প নয়; রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার, সংবাদ, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের দীর্ঘ যাত্রা। বিটিভির নিজস্ব ইতিহাস পাতার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর তৎকালীন ডিআইটি ভবনের দুটি কক্ষ থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু হয়। শুরুতে দৈনিক সম্প্রচার ছিল মাত্র তিন ঘণ্টা।
প্রথম সম্প্রচারের সময় প্রতিষ্ঠানটি আজকের নামে পরিচালিত হতো না। ১৯৬৭ সালে এটি পাকিস্তান টেলিভিশন করপোরেশনের অংশ হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় চ্যানেলে রূপান্তরিত হয়। এই পরিবর্তন নতুন দেশের ভাষা, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও জনসেবামূলক তথ্য প্রচারের জন্য একটি জাতীয় মাধ্যম তৈরি করে।
১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিটিভি রামপুরার নিজস্ব ভবনে স্থানান্তরিত হয়। একই বছরের মার্চ থেকে সেখানে নতুনভাবে সম্প্রচার শুরু হয়। ১৯৮০ সালে রঙিন সম্প্রচার চালু হওয়া বাংলাদেশের টেলিভিশন প্রযুক্তির একটি বড় মাইলফলক। একটি সাদাকালো, সীমিত সময়ের সেবা থেকে ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ জাতীয় সম্প্রচার ব্যবস্থায় যাওয়ার এই ধাপগুলো আজকের ডিজিটাল দর্শকের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।
বিটিভির গুরুত্ব শুধু প্রযুক্তিগত অগ্রগতিতে সীমাবদ্ধ নয়। সংবাদ, কৃষি ও স্বাস্থ্যবিষয়ক অনুষ্ঠান, শিক্ষামূলক আয়োজন, নাটক, সংগীত এবং জাতীয় দিবসের সম্প্রচার বহু দশক ধরে দর্শকের অভিজ্ঞতার অংশ। এমন সময়ে, যখন বেসরকারি চ্যানেল বা ইন্টারনেট ছিল না, টেলিভিশন একই সঙ্গে তথ্য ও বিনোদনের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করেছে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকের দায়িত্ব বাণিজ্যিক চ্যানেল থেকে আলাদা। জরুরি জনসচেতনতা, সরকারি তথ্য, জাতীয় অনুষ্ঠান এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা পৌঁছানোর বিষয় এখানে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে সরকারি উৎসের দাবিগুলো পড়ার সময় পাঠকের উচিত তথ্যের তারিখ দেখা এবং স্বাধীন ঐতিহাসিক গবেষণার সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া।
বিটিভির ইতিহাস পাতায় ২০০৪ সালে বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু, ২০১২ সাল থেকে ২৪ ঘণ্টা স্যাটেলাইট সম্প্রচার এবং পরবর্তী সময়ে IPTV, mobile TV ও web TV-তে সম্প্রসারণের কথা বলা হয়েছে। এই ধাপগুলো দেখায় যে broadcast television এবং internet video একে অন্যকে পুরোপুরি বাদ দেয়নি; বরং একই প্রতিষ্ঠান ভিন্ন delivery channel ব্যবহার করে নতুন দর্শকের কাছে পৌঁছেছে।
আজ দর্শক টেরিস্ট্রিয়াল সিগন্যাল, কেবল, স্যাটেলাইট, official website বা supported app—বিভিন্ন মাধ্যমে অনুষ্ঠান দেখতে পারেন। প্রতিটি মাধ্যমের coverage, picture quality, latency ও data cost আলাদা। তাই “টেলিভিশন” এখন শুধু একটি বাক্স নয়; এটি content production, distribution network এবং viewer device-এর সমন্বিত ব্যবস্থা।
সম্পাদকের নোট: তথ্য 2026-08-03 তারিখে উপরের official source-এর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়েছে। সময়ের সঙ্গে service ও coverage বদলাতে পারে।